অদ্ভুত দেশে আমাদের বসবাস, সচরাচর যাদের কাছে যে কোনো
প্রয়োজনে যেন যেতে না হয় এমন চেষ্টা যখন আমদের প্রায় সবার ঠিক তখনি দেশের
সুন্দর নিয়ম কানুন থাকা সর্থেও দায়িক্তহীন ও অশিক্ষিত সেসব মানুষের অজানা ও
দুর্নীতির বলিবান হতেহ্য় সবইকে ।
১৫ মে ২০১২, পত্নীর পাস্স্পর্ট করানোর জন্য সাভার ত্তয়ার্ড কমিশনারের খোজে তার কার্যালয়ে গেলাম পাস্স্পর্ট ফর্ম সত্যায়িত করানোর জন্য, খোজ মিলল অদ্ভুত তথ্যের, কমিশনার সাহেব নাকি তার নিজ দোকানে বসেন । উপায় নেই দেখে খুজতে হলো । এখানেই শেষ নয়, অনলাইন থেকে প্রিন্ট করা ফর্মে নাকি হবেনা । আসলে বেপারটা এরকম নয়, ওনার চাহিদা ছিল অর্জিনাল ফর্ম যেটা পাস্স্পর্ট অফিস দিয়ে থাকে, লম্বা লম্বা পেজ, ইত্যাদি, "অনলাইন-এ তো বলা আছে এই ফর্মে হবে" আমার এমন বক্তব্যে "ওনারা কি বলল সেটাই কি হবে, আমি প্রতিদিন সত্যায়িত করি, তোমার কাছ থেকে শিখতে হবে" তার এই বক্তব্যের পর ওখানে আর দেরি করার প্রয়োজন মনে করলাম না । পরে অবস্য অন্য কোনো মাধ্যমে ওই ফর্ম জমা দেয় ।
২৬ মে ২০১২, ক দিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম থানা থেকে হয়ত ফোন আসবে, এলো, কথোপকথন অনুযায়ে সন্ধায় দেখা করলাম । কোনো প্রকারের আনুষ্ঠানিকতাই না গিয়ে এস,আই সাহেব ২০০০টাকা চেয়ে বসলো, নতুবা সঠিক রিপোর্ট নাও যেতে পারেন । চা খাবার জন্য ২/৪০০ নিতে পারেন, এটা অযুক্তিক এবং অতিরিক্ত বলা ছাড়া আর কিছু বলার ছিলনা । প্রতিউত্তরে শুনতে হলো "২/৪০০ টাকার দিন চলে গেছে । আমার কাছে ওই ভদ্র লোককে খুশি করার মত টাকা বা তা দেবার মত ইচ্ছা কোনটাই ছিলনা ।
তাই শেষ দেখার অপেক্ষায় !.....
..............
শেষ দেখেছি বটে, হাতের নাটায়ে টান দিয়ে ক্ষমতা দেখিয়েদিয়েছে, এক মাস পরে হাতে পেলাম।
সেই সাথে এটাও প্রমান হলো, এগোনোর গতি ভালো হলেও সর্বনাশার দরজায় পৌঁছয়নি, একটু বাকি আছে ।
১৫ মে ২০১২, পত্নীর পাস্স্পর্ট করানোর জন্য সাভার ত্তয়ার্ড কমিশনারের খোজে তার কার্যালয়ে গেলাম পাস্স্পর্ট ফর্ম সত্যায়িত করানোর জন্য, খোজ মিলল অদ্ভুত তথ্যের, কমিশনার সাহেব নাকি তার নিজ দোকানে বসেন । উপায় নেই দেখে খুজতে হলো । এখানেই শেষ নয়, অনলাইন থেকে প্রিন্ট করা ফর্মে নাকি হবেনা । আসলে বেপারটা এরকম নয়, ওনার চাহিদা ছিল অর্জিনাল ফর্ম যেটা পাস্স্পর্ট অফিস দিয়ে থাকে, লম্বা লম্বা পেজ, ইত্যাদি, "অনলাইন-এ তো বলা আছে এই ফর্মে হবে" আমার এমন বক্তব্যে "ওনারা কি বলল সেটাই কি হবে, আমি প্রতিদিন সত্যায়িত করি, তোমার কাছ থেকে শিখতে হবে" তার এই বক্তব্যের পর ওখানে আর দেরি করার প্রয়োজন মনে করলাম না । পরে অবস্য অন্য কোনো মাধ্যমে ওই ফর্ম জমা দেয় ।
২৬ মে ২০১২, ক দিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম থানা থেকে হয়ত ফোন আসবে, এলো, কথোপকথন অনুযায়ে সন্ধায় দেখা করলাম । কোনো প্রকারের আনুষ্ঠানিকতাই না গিয়ে এস,আই সাহেব ২০০০টাকা চেয়ে বসলো, নতুবা সঠিক রিপোর্ট নাও যেতে পারেন । চা খাবার জন্য ২/৪০০ নিতে পারেন, এটা অযুক্তিক এবং অতিরিক্ত বলা ছাড়া আর কিছু বলার ছিলনা । প্রতিউত্তরে শুনতে হলো "২/৪০০ টাকার দিন চলে গেছে । আমার কাছে ওই ভদ্র লোককে খুশি করার মত টাকা বা তা দেবার মত ইচ্ছা কোনটাই ছিলনা ।
তাই শেষ দেখার অপেক্ষায় !.....
..............
শেষ দেখেছি বটে, হাতের নাটায়ে টান দিয়ে ক্ষমতা দেখিয়েদিয়েছে, এক মাস পরে হাতে পেলাম।
সেই সাথে এটাও প্রমান হলো, এগোনোর গতি ভালো হলেও সর্বনাশার দরজায় পৌঁছয়নি, একটু বাকি আছে ।
hamm...
উত্তরমুছুন